মাল্টিমিডিয়া হল এমন একটি মাধ্যম যাতে বিভিন্ন ধরনের তথ্যকে একত্রে উপস্থাপন করা হয়। (যেমন: শব্দ, চিত্র, এনিমেশন, ভিডিও প্রভৃতি) মাল্টিমিডিয়া দিয়ে ইলেকট্রনিক মাধ্যমকেও বোঝানো হতে পারে যেটির মাধ্যমে মাল্টিমিডিয়া সম্পর্কিত তথ্য ধারন, সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা হয়।

বিস্তারিত ভাবে বলতে গেলে মাল্টিমিডিয়া বলতে যা বুঝায় নিম্নে তার বর্ননা দেওয়া হল: -
মাল্টিমিডিয়া হল এমন একটি মাধ্যম যাতে বিভিন্ন ধরনের তথ্যকে একত্রে দর্শক/ব্যবহারকারীদের কাছে উপস্থাপন করা হয়। মাল্টিমিডিয়া দিয়ে ইলেকট্রনিক মাধ্যমকেও বোঝানো হতে পারে যেটির মাধ্যমে মাল্টিমিডিয়া সম্পর্কিত তথ্য ধারন, সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা হয়। শিল্পকলার মিশ্র শিল্পের সাথে মাল্টিমিডিয়ার অনেক মিল রয়েছে। মাল্টিমিডিয়া বলতে বোঝায় যে কম্পিউটারের তথ্যকে অডিও, গ্রাফিক্স, ছবি, ভিডিও ও এনিমেশন এবং এর সাথে লেখাও যুক্ত রেখে প্রকাশ করা যাবে।
নানা রকম ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে মাল্টিমিডিয়া তৈরি করা যায়। যেমন মাইক্রোফোন,ভিডিও ক্যামেরা,স্পিকার,ইমেজ এডিটিং সফটওয়্যার,স্ক্যানার ইত্যাদি। মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে অথবা ঘরে মিডিয়া প্লেয়ার এর সাহায্যে দেখানো যায়। সম্প্রচার হচ্ছে মাল্টিমিডিয়ার একটি রুপ যেখানে স্থানীয়ভাবে ধারনকৃত অথবা সরাসরি কোন অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়। সম্প্রচার এবং ধারনকৃত অনুষ্ঠান অ্যানালগ বা ডিজিটাল দুটি প্রযুক্তিতেই ব্যবহার করা যায়। ডিজিটাল অনলাইন মাল্টিমিডিয়া অনলাইন থেকে নামিয়ে দেখা যায়, অথবা সরাসরি অনলাইন থেকেও দেখা যায়। শেষোক্ত পদ্ধতিকে স্ট্রিমিং মিডিয়া বলে। স্ট্রিমিং মিডিয়া ধারনকৃত বা সরাসরি হতে পারে।

মূলত মাল্টিমিডিয়া কিছু মাধ্যমের সমষ্টি।
মাল্টিমিডিয়া ২ প্রকার: -
১। লিনিয়ার। যেমন:-(সিনেমা, ভিডিও, টিভি)
২। নন- লিনিয়ার। যেমন: (কম্পিউটার )
মাল্টিমিডিয়ার বৈশিষ্ট:-
বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র ব্যবহার করে মাল্টিমিডিয়া তৈরি করা যায়। যেমন মাইক্রোফোন,ভিডিও ক্যামেরা,স্পিকার,ইমেজ এডিটিং সফটওয়্যার,স্ক্যানার ইত্যাদি। মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনা মঞ্চে প্রজেক্টরের মাধ্যমে অথবা ঘরে মিডিয়া প্লেয়ার এর সাহায্যে দেখানো যায়। সম্প্রচার হচ্ছে মাল্টিমিডিয়ার একটি রুপ যেখানে স্থানীয়ভাবে ধারনকৃত অথবা সরাসরি কোন অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়। সম্প্রচার এবং ধারনকৃত অনুষ্ঠান অ্যানালগ বা ডিজিটাল দুটি প্রযুক্তিতেই ব্যবহার করা যায়। ডিজিটাল অনলাইন মাল্টিমিডিয়া অনলাইন থেকে নামিয়ে দেখা যায়, অথবা সরাসরি অনলাইন থেকেও দেখা যায়। শেষোক্ত পদ্ধতিকে স্ট্রিমিং মিডিয়া বলে। স্ট্রিমিং মিডিয়া ধারনকৃত বা সরাসরি হতে পারে।
মাল্টিমিডিয়া গেমস ব্যক্তিগতভাবে একা খেলা যায় অথবা নেটওয়ার্কিং এর মাধ্যমে অনলাইনে ইন্টারনেটে বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে একাধিক ব্যক্তি গেমসে যুক্ত হতে পারে।
মাল্টিমিডিয়া প্রযুক্তির বিভিন্ন ফরম্যাট ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন চাহিদা পূরণে আবিষ্কৃত হয়েছে।
লেজার লাইট প্রদর্শনী, এটিও একটি মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনা
বিভিন্ন ফরম্যাটের মাধ্যম ব্যবহারের মাধ্যমে উচ্চতর স্তরের ইন্টারঅ্যাকটিভ মাল্টিমিডিয়া দেখানো সম্ভব হচ্ছে। অনলাইন মাটিমিডিয়া বর্তমানে আরো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড এবং তথ্য-দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। ফলে বিভিন্ন সফটওয়ারের মাধ্যমে মাল্টিমিডিয়াকে ব্যবহারকারীর কাছে বিচিত্র উপায়ে ও সহজে উপস্থাপন করা যাচ্ছে। এর উদাহরন হচ্ছে ওয়েবসাইটে ব্যবহারকারীদের তৈরীকৃত গ্যালারি, যাতে বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ছবি আপডেট করার ব্যবস্থা করা যায়।